প্রথমে খাঁটি গরুর দুধ সংগ্রহ করে তা ভালোভাবে ফুটিয়ে নেওয়া হয়, যাতে সব ধরনের জীবাণু নষ্ট হয়ে যায়। এরপর ঠান্ডা করা দুধে সামান্য পরিমাণ পুরনো দই বা ছানা মিশিয়ে রেখে দেওয়া হয়, যা জমে দই তৈরি হয়। জমাট বাঁধা দইকে ভালোভাবে মথন করে ননী বা মাখন আলাদা করা হয়।
সংগ্রহ করা মাখনকে ধীরে ধীরে জ্বাল দেওয়া হয়, যাতে এতে থাকা পানি শুকিয়ে যায় এবং খাঁটি ঘি আলাদা হয়ে আসে। এরপর ঘি ছেঁকে ফিল্টার করা হয়, যাতে অবশিষ্ট দুধের অংশ বাদ যায়। সবশেষে ঠান্ডা করে কাচের বা প্লাস্টিকের বোতলে সংরক্ষণ করা হয়, যা দীর্ঘদিন পর্যন্ত খাঁটি থাকে।
আমাদের খাঁটি ঘি নিয়ে প্রশ্ন -🡻
খাঁটি ঘি কিভাবে চিনবো?
খাঁটি ঘি-এর রং সাধারণত হালকা হলুদ বা সোনালি হয় এবং এটি ঘন ও সুগন্ধযুক্ত হয়। ঠান্ডায় জমে যায় এবং হাতের স্পর্শে সহজেই গলে যায়।
খাঁটি ঘি স্বাস্থ্যের জন্য কেন উপকারী?
এতে ভালো ফ্যাট, ভিটামিন A, D, E ও K থাকে, যা হজমশক্তি বাড়ায়, হার্ট ও মস্তিষ্কের জন্য উপকারী এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
খাঁটি ঘি কিভাবে চিনবো?
খাঁটি ঘি-এর রং সাধারণত হালকা হলুদ বা সোনালি হয় এবং এটি ঘন ও সুগন্ধযুক্ত হয়। ঠান্ডায় জমে যায় এবং হাতের স্পর্শে সহজেই গলে যায়।
খাঁটি ঘি স্বাস্থ্যের জন্য কেন উপকারী?
এতে ভালো ফ্যাট, ভিটামিন A, D, E ও K থাকে, যা হজমশক্তি বাড়ায়, হার্ট ও মস্তিষ্কের জন্য উপকারী এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।